যৌবনকাল এবং যৌনতা
যৌবন কাল হলো পুরুষের যৌনতার ব্যবহারের সময়। এই সময়ে যৌনতার প্রতি পুরুষের আগ্রহ এবং আর্কষণ বেশি। ২৫ থেকে ৩০ বছর সময়কতাল হলো পুরুষের প্রকৃত যৌবন কাল। এই সময়ে পুরুষ কিংবা নারী উভয়েই যৌনতার প্রতি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ থাকে । এই সময়ের মধ্যে বয়ঃসন্ধিপূর্ণ হয় এবং নারী পুরুষের যৌনাঙ্গ সুসংগঠিত হয়। এই সময়কার । নারী পুরুষের দৈহিক পরিবর্তন এবং এবং ব্যবহারিক পরিবর্তনগুলো হলো-
মেয়েদের মাসিক চক্র শুরু হওয়া
ছেলেদের স্বপ্নদোষ হতে থাকা
মেয়েদের যোনির ঠোঁট বড় হতে থাকা
মেয়েদের কিটোরিস আরো দৃঢ় হয়
ছেলেদের অন্ডকোষ এবং লিঙ্গ আরো দৃঢ় হয়
মেয়েদের স্তনের আকার বড় হয়
উভয়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়
উভয়েরই গলার স্বরে পরিবর্তন হয়
উভয়েরই শরীরের আকার পরিবর্তিত হয় ইত্যাদি
হরমোন নিঃসরণজনিত কারণে এই সময়ে ছেলে মেয়ে উভয়েরই যৌন ইচ্ছা দেখা দিয়ে থাকে। প্রাথমিক এবং দ্বিতীয় স্তরের পরিবর্তনের পর একটি ছেলে পুরুষ এবং একটি মেয়ে নারীতে পরিপূর্ণতা লাভ করে ।
প্রাথমিক পরিবর্তন–
গলার স্বরে পরিবর্তন
বগলে চুল জন্মানো
নাভীর নিচে চুল জন্মানো
মাংসপেশি দূঢ় হাওয়া
ছেলেদের বুকে লোম জন্মানে
মাথার চুল ঘন হওয়া
স্তনের আকৃতি সুগঠিত হওয়া
উচ্চতা বৃদ্ধি
দ্বিতীয় স্তরের পরিবর্তন–
লিঙ্গ দৃঢ় হওয়া
যৌন ইচ্চার সৃষ্টি
যৌনতার প্রতি তীব্র আকর্ষণ
স্তনের স্ফীত
জুরায়ুর সুসংগঠন
স্বপ্নদোষ
স্বপ্নদোষ
প্রতিটি পুরুষের জীবনে স্বপ্নদোষের ব্যাপারটি ঘটে থাকে । অন্তত একবার হলেও এটি ঘটবেই । প্রথম প্রথম অনেক ছেলে বুঝতে পারেনা এটা কি হলো রাত্রিতে ঘুমানোর পরে গভির নিদ্রায় গিয়ে পুরুষ স্বপ্নে যৌনতার নানা বিষয় দেখতে পায়। হয়ত সে দেখে সে করো সাথে যৌনমিলন করছে । অথবা যৌনতা সংশ্লিষ্ট নানা ব্যবহারিক আচার-আচরণ দেখতে পায় । কিনসের মতে এই সময়ে বহু ছেলেই তার চেনা এবং পরিচিত নারীর সাথে যৌনমিলনের বা যৌনচরণের স্বপ্ন দেখে । এতে করে চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে তার চরমপুলক হয় এবং বীর্যপাত ঘটে । একে স্বপ্নদোষ বলা হয় । অনেক ছেলের কাছেই এটি ভীতিকর উপসর্গ হিসাবে চিহ্নিত হয় । কেননা তারা মনে করে এর ফলে পাপ হচ্ছে এবং পাশাপাশি লিঙ্গের দৃঢ়তা কমে যাচ্ছে। বাস্তব বিষয়টি হলো স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি শারীরিক প্রক্রিয়া মাত্র । এই বয়সে যে কোন ছেলের ক্ষেত্রেই এটি ঘটতে পারে । এতে ভীতির কোনো কারন নেই

0 comments:
Post a Comment